ভোলা টাইমস্ ডেস্ক ॥

বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ। দেখতে দেখতে নিজেদের যাত্রার ৩৫ বছর পূর্ণ করল মাইক্রোসফটের গুরুত্বপূর্ণ এ উদ্ভাবনটি। এখন থেকে ৩৫ বছর আগে প্রযুক্তির জগতে ক্রান্তি নিয়ে এসেছিল মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ১.০।কম্পিউটারের জগতে এটাই ছিল প্রথম উইন্ডোজ প্লাটফরম; যা কম্পিউটারের নকশাই বদলে দেয়। ১৯৮৫ সালের আগে আবিষ্কৃত কম্পিউটারগুলো ব্যবহারকারীদের ব্যবহারের জন্য বেশ জটিল ছিল। কিন্তু ১৯৮৫ সালের ২০ নভেম্বর মাইক্রোসফটের তরফ থেকে উইন্ডোজ ১.০ লঞ্চ করা হয়, যদিও বর্তমান প্রজন্মের অনেকেরই হয়তো ওই উইন্ডোজ সংস্করণ চালিয়ে দেখার অভিজ্ঞতা হয়নি।প্রথম সংস্করণটি সমালোচকদের কাছে তেমন একটা আস্থা অর্জন করতে পারেনি বলেই এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। উইন্ডোজ ১.০ কিন্তু পুরোদস্তুর অপারেটিং সিস্টেম ছিল না। উইন্ডোজ ১.০ ব্যবহারকারীদের জন্য প্রথম গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে হাজির হয়।

গ্রাফিক্সের প্রতি মানুষের আগ্রহ ছিল বরাবর। সেই দিক বিবেচনা করেই মাইক্রোসফট তাদের ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম তথা DOS-এর পাশাপাশি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে হাজির হয়। বলা বাহুল্য কম্পিউটারে ব্যবহারকারীরা একযোগে সেদিন microsoft-এর এ নতুন উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়েছিলেন। গত শুক্রবার সেই যুগান্তকারী দিনের ৩৫ বছর পূর্তি উদ্যাপিত হল। এ পথচলায় উইন্ডোজ ব্যবহারকারীরা দেখা পেয়েছেন উইন্ডোজ ৯৫, উইন্ডোজ ৯৮, এক্সপি, ভিসতা, উইন্ডোজ এমই, উইন্ডোজ ৭, ৮ এবং ১০-এর। প্রতিটি উইন্ডোজ সংস্করণই যে একই মানে সফল হয়েছে, তা নয়। তবে মানুষ প্রতিবার সাদরে গ্রহণ করেছে অপারেটিং সিস্টেমটি। বর্তমানে বিশ্বে একশ’ কোটি ডিভাইসে চলছে উইন্ডোজ। ব্যক্তিগত কম্পিউটার জগতে আধিপত্য বিস্তার অবস্থানেই রয়েছে মাইক্রোসফটের এ অপারেটিং সিস্টেমটি। সামনে হয়তো ব্যবহারকারীর সংখ্যা আরও বাড়বে। কারণ, গতানুগতিক কম্পিউটারের ব্যবহার বাড়ছে, মোবাইল বা ট্যাবলেটের মতো ডিভাইসের ভিড়ে হারিয়ে যায়নি।

Leave a comment