ভোলার চরফ্যাশনের দক্ষিণ আইচা থানার ১৫ নং অধ্যক্ষ নজরুল নগর ইউনিয়নে ৫ নং ওয়ার্ডে মাঝের চর মোশারফ ফকির বাড়ির ৬০ বছরের ভোগদখলীয় বসতবাড়ী কবরস্থান দখলের জন্য আদমআলী ফকিরকে আটকিয়ে জোর পুর্বক ষ্টাম্পে টিপ/স্বাক্ষর নিয়ে ভুয়া বিক্রীনামা দিয়ে দখলের চেষ্টার অভিযোগ করেছেন মোশারেফ ফকির। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আদম আলী ফকিরের ৬০ বছরের ভোগ দখলীয় মাঝের চর মৌজার দিয়ারা খতিয়ান নং ১৪৪৪ দাগে ৪০২৩,৪০২৪ মোট ১ একর ৬৫ শতাংশ জমি ভোগ দখল করে বাড়ি ঘর, পুকুর, কবরস্থান নির্মান করে ভোগ দখল করে আসছে।

২০০৫ সালে একই এলাকার শাহে আলম মাঝি, কবির মাঝি, ছগির মাঝি, আলম মাঝি উক্ত জমি দখল করার জন্য আদম আলীকে চরফ্যাশন পৌর শহরে যুব দলের একটি কার্য্যালয়ে ২০১৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারী আটকিয়ে ষ্টাম্পে সই/ টিপসহি নিয়ে জমি বিক্রীর চুক্তি নামা তৈরি করে জমি দাবী করা সহ পুকুরে বিষ প্রয়োগে মাছ লুট করে। আমরা উক্ত সম্পত্তি ফিরে পাবার জন্য ভোলা ৪ চরফ্যাশন ও মনপুরার সাংসদ সদস্য আবদুৃল্লাহ আলইসলাম জ্যাকব এমপির নিকট ২৯ অক্টোবর ২০১৯ সালে লিখিত আবেদন করলে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে হস্তান্তর করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে প্রতিবেদন প্রেরণ করতে চর কলমী ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তা কে দিলে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ১১১৮তারিখ ২৪,০৯,২০২০ ও ৪৫-ক/২০২০ স্বারকে লিখিত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। মোশারফ ফকির অভিযোগে দাবী করেন, স্থাণীয় তহসিলদার আবদুল মালেক প্রতিপক্ষের নিকট থেকে মোটা অংকের সুবিধা পেয়ে শাহে আলম মাঝি গংদের সুবিধামত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন যা কাগজ পত্রের সাথে কোন প্রকার সামঞ্জস্য নাই। এ ব্যাপারে চর কলমী ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তা আবদুল মালেক এর সাথে আলাপ করলে তিনি জানান, বিবাদীর মাত্র একটি ষ্টাম্প রয়েছে যা দিয়ে জমির মালিকানা প্রমান না করায় উভয় পক্ষকে সমঝোতা প্রস্তাব দিয়েছি।

Leave a comment