মোঃ আমান উল্লাহ ॥

ভোলার চরে দীর্ঘদিনের যে অস্থিথিশীল পরিবেশ বিদ্যমান যার প্রতিফলনে প্রতিদিনি কেউ না কেউ ক্ষত বিক্ষত রক্তাক্ত হচ্ছে, জনমনে প্রশ্ন আসলে কি ভোলার চর কারো পৈত্তিক বা ক্রয়কৃত সম্পিত্তি যা নিয়ে প্রতিদিন যে সহিংশতা সংঘঠিত হচ্ছে এর পেছনে কোন অদৃশ্য শক্তি নিজেদের সার্থ হাছিলের জন্য এই সংঘাতের জম্ন দিচ্ছে ? ভোলার চরে দীর্ঘদিনের যে অস্থিতিশীল পরিবেশ বিদ্যমান রয়েছে সরেজমিনে পরিদর্শন করতে হাঠৎ করে স্থানীয় প্রশাসন উপস্থিত সকাল ৯.৩০ মিনিটে ।

ভোলা সদর থানার ওসি এনায়েত হোসেন কিছু সময় চরের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষন করে ফিরে আসেন । প্রশাসনের চর থেকে চলে আসার কিছু সময়য়ের পর লক্ষিপুরের ডাকাত বাহিনীর অতর্কিত হামলায় দিশেহারা ভোলার চরের বাসিন্দারা । এ যেন এক রাজ্য নিয়ে লড়াই, রাজ্যর মালিক কে ? এমন টাই প্রশ্ন জনমনে । তবে কেনই বা লক্ষিপুরের চিহ্নিত ডাকাত বাহিনীর হামলাম শিকার হচ্ছে ভোলার চরের নারী পুরুষসহ নিরিহ মানুষ। এ হামলা ১২ টা ৩০ মিনিটে শুরু হলেও দুর্ঘমচরে পৌছাতে প্রশাসনের সময় লেগে যায় আনুমানিক ৫ টা ৩০ মিনিট। ওসি এনায়েত হোসেন ও ইলিশা ফাড়ির ইনচার্জ রতন কুমার শীল আহতের উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হসপিটালে প্রেরণ করেন।

এবং ঘটনাস্থলে নতুন করে কোন সংঘর্ষের সৃষ্টি না হয় সে জন্য সেখানে পুলিশ ফোর্স মোতায়েন করেন। ৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে রাতেই বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার হয়েছে এবং মিন্ঠু খা ও কাদেরের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়া সত্তেও কোন এক অদৃশ্য শক্তির প্রভাবে বরিশালের রেফার কেটে রেখে দেয়া হয় ভোলা সদর হসপিটালে পুলিশি পাহাড়ায়। এমন টাই অভিযোগ করেন আহদের স্বজনরা। তারা আরো বলেন, লক্ষিপুরের ডাকাত সদস্যদের সাথে কিছু পুলিশ সদস্য কে গভির রাতে ভোলা সদর হসপিটালের দেখা যায় । এ বিষয়ে স্বজনরা ভয়ে আতঙ্ককিত হয়ে হসপিটালে না গিয়ে সাংবাদিকদের শরনাপন্ন হন । তারেই প্রেক্ষিতে সাংবাদিকরা হসপিটালে গিয়ে দায়িত্বরত নার্সের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্যার ভুল করে রেফার করে দিয়েছিলেন তাই পরে রেফার কেটে দেয়া হয়েছে।

পরবর্তিতে বিষয়টি আহতের স্বজনরা পরদিন সকালে ভোলার পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়ছার কে অবিহিত করলে তিনি সিভিল সার্জনের সাথে রোগীদের সার্বিক অবস্থার খোজ নিয়ে বেলা ১২টা ৩০ মিনিটে ২ জন পুলিশ সদস্যসহ এ্যাম্ভুলেন্সের মাধ্যমে রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে প্রেরণ করেন। এ ব্যাপারে ভোলা থানার ওসি এনায়েত জানান ডাকাত দল লক্ষীপুর জেলার ও চর অঞ্চলের হওয়ার তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারছেন না, কিন্তু ডাকাত দলের মূলহোতা ওহাব আলী একাধিক ডাকাতি মামলার আসামি হয়েও থানা পুলিশের নাকের ডগায় প্রকাশ্যে ঘুরে চলছে ।

এ যেন প্রশাসন ডাকাত দলের কাছে অসহায়,,,। কিন্তু কেন ? কেন বারবার ডাকাতি লুটপাট হামলা ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ করে পার পেয়ে যায় ডাকাতদল ও তাদের গডফাদাররা। আর থানা পুলিশ প্রশাসন অসহায়ত্ব প্রকাশ করে সেই প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যায় । ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এ ব্যাপারে জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার সাহায্য কামনা করেছেন।

Leave a comment