ভোলা টাইমস্ ডেস্ক ॥

তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণে আগামী দিনে বাংলাদেশ বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। সেই লক্ষ্য নিয়ে তথ্যের ব্যবহার ও সংরক্ষণের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি এর নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। নিরাপত্তার স্বার্থেই দেশের তথ্য দেশেই সংরক্ষণের তাগিদ দিয়েছেন তিনি।পলক বলেন, নাগরিক ও রাষ্ট্রের তথ্য এবং অর্থের নিরাপত্তা দেয়া বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এ সবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইসিটি বিভাগের অধীন সাইবার ইন্সিডেন্স রেসপন্স টিম (সিআইআরটি) গঠন করা হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত ও ডাটা সুরক্ষায় কাজ করতে তাদের প্রশিক্ষণও দেয়া হচ্ছে।গত সোমবার ডাটা সংরক্ষণ বিষয়ে আইসিটি বিভাগের বাংলাদেশ ডাটা সেন্টার কোম্পানির সঙ্গে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের মধ্যে চুক্তি সই অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তথ্য ও অর্থ সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা ব্যাপকভাবে দেখা দিয়েছে উল্লেখ করে পলক বলেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ডাটা সায়েন্টিস্ট তৈরির জন্যও আইসিটি বিভাগ কাজ করছে। প্রযুক্তির কল্যাণে দ্রুত ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ছে। সরকারের বিভিন্ন সার্ভিস বাড়ছে।

’ তিনি বলেন, ‘বর্তমানে সরকারের ন্যাশনাল পোর্টালে ৪৩ হাজার ওয়েবসাইট রয়েছে। এগুলো ডাটা সেন্টারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। মাইগভ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনে ৬৪০টিরও বেশি সার্ভিস দেয়া হচ্ছে। কোভিড মহামারীর সময় সবকিছু বন্ধ থাকার পরও ৮ মাসে ১০ লাখর বেশি ই-নথি সম্পন্ন হয়েছে।’ সরকারের সব কাজ ই-নথির মাধ্যমে সচল ছিল বলে তিনি জানান। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব এনএম জিয়াউল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. রইছউল আলম মণ্ডল, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকে নবনিযুক্ত ডেপুটি গভর্নর একেএম সাজেদুর রহমান খান, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. সাঈদ নূর আলম এবং বাংলাদেশ ডেটা সেন্টার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক পার্থ প্রতিম দেব উপস্থিত ছিলেন।

Leave a comment