ভোলা জেলায় সামাজিক দূরত্ব ও মাস্ক ব্যবহারে বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করতে প্রতিনিয়তই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। মাস্ক না পড়াসহ স্বাস্থ্যবিধি না মানায় গত ১৫ দিনে দুই শতাধিক ব্যক্তিকে জেল-জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় ৮০ টি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১৬২ জনকে লক্ষাধিক টাকা জরিমানা ও ৪১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়া কোভিড-১৯ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে নানান প্রচার প্রচারণাও চালানো হচ্ছে ।

এদিকে সাধারণ মানুষকে বার বার হাত ধোয়ার জন্য জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর’র পক্ষ থেকে শহরের বিভিন্ন স্থানে স্থাপন করা হয়েছে হাত ধোয়ার বেসিন ও দুইটি টেপের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পানির ব্যবস্থা রয়েছে এবং প্রতিদিন একটি সাবান দেয়া হয়। প্রশাসনের নিয়মিত তৎপড়তায় শহরের প্রায় ৯০ ভাগ মানুষ মাস্ক পরিধান করছে। গ্রামগঞ্জে মাস্ক একটু কম ব্যবহার হলেও সাম্প্রতিক সময়ে এটা বাড়ছে।

এ ব্যাপারে ভোলা জেলা প্রশাসক মো: মাসুদ আলম ছিদ্দিক জানান, করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় প্রথম থেকে ভোলা জেলা প্রশাসন মাঠে কাজ করছে। যার ফলে অন্য জেলার চাইতে ভোলায় করোনা পরিস্থিতি অনেক ভালো। ইতোমধ্যে আফিস, আদালত, ব্যাংক, শপিং মল, বাসটার্মিনাল, রেস্তোরাসহ সকল সেবাদান প্রতিষ্ঠানে মাস্ক না থাকলে সার্ভিস দেয়া হচ্ছে না। এমনকি বিনোদন কেন্দ্রালোও মাস্ক পড়ে ডুকতে হচ্ছে।

এসব স্থানে মাস্ক ব্যবহারে সচেতনতায় বিভিন্ন প্রচার প্রচারণা চলছে। জেলা প্রশাসক আরো বলেন, গণজমায়েত বন্ধেও কাজ করছে প্রশাসন। কারণ ব্যাপক আকারে মানুষের উপস্থিতি এক সাথে হলে সহজেই করোনা ছড়াতে পারে। তাই এবছর সব ধরনের ওয়াজ মাহফিলসহ ধর্মীয় জনসমাগম এড়িয়ে চলার জন্য আমরা অনুরোধ করেছি। তারপরেও যারা করতে চায় তাদেরকে নির্দিষ্ট সর্ত মেনে চলতে হয়। বুধবার সকালে ভোলার সিভিল সার্জন দপ্তর থেকে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৩৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে নতুন করে ৫ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্তর সংখ্যা দাড়ালো ৮৭৯ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৭৮৭ জন। মৃত্যু হয়েছে ৮ জনের।

Leave a comment