মোঃ সাইফুল ইসলাম আকাশ বিশেষ প্রতিনিধি।।
সারাদেশে মহামারী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ায় সরকারের ঘোষিত সাতদিনের কঠোর লকডাউনে হতাশায় দিন কাটাচ্ছে ভোলা জেলার অসহায়,হতদরিদ্র ও খেটে খাওয়া মানুষ ভালো নেই তারা ।
সাতদিনের কঠোর লকডাউনের আজ শনিবার ৩য় দিন চলছে। বাড়ি বিক্রমপুর আবার অনেকেই টাঙ্গাইলের বাসিন্দা। কিন্তু থাকেন ভোলার মহাজনপট্টিতে তাও আবার ৪০ বছর ধরে হাড়ি-পাতিল বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে কেউবা কাপড় এরকমই দৃশ্য দেখা যায় সরজমিনে গিয়ে। দেখা যায় হাড়ি পাতিল নিচে বিছানা আর তাদের অগোছালো কিছু চিত্র, আব্দুল মালেক মিয়া বয়স ৭০ বা তার বেশি ,দাড়ি সাদা হয়ে গেছে নিয়ে ৫মেয়ে নিয়ে তার সংসার কিন্তু পরিবারের খাবার নির্বাহের জন্য থাকছেন ভোলায় ব্যাচেলর হিসেবে বুড়ো বয়সে এরকম দৃশ্য দেখে যে কেউ কেঁপে উঠবে। মালেক মিয়া বলেন আমরা গরীব মানুষ, দিন আনি, দিন খাই ঈদে কিংবা কিছু টাকা হলে বাড়ি যাই ৪০বছর ধরে আমনেগো ভোলায় থাকি ।
ফেরি করে যা পাই তা দিয়ে কোন রকম চলি কিন্তু এখন তাও পারছি না খুব কষ্টে আছি এমনই শোনালেন আব্দুল মালেক মিয়া সহ তার সাথে থাকা ৫ থেকে ৭জন। বোরহানউদ্দিন উপজেলার পৌর বাজারে পোস্ট অফিসের সামনে পানের দোকান করেন আবদুর রব মিয়া লকডাউনে দোকান বন্ধ থাকার কথা ,তিনি কেন খুলেছেন ! এমন প্রশ্ন করলে জবাবে তিনি বলেন আমার পরিবারের ৯ জন লোক একদিন দোকান না করলে সবাই মরতে হইবো, আর বাইচা থাকলে খাওয়ামু কি পোলাপানরে! তাই দোকানে বসছি তাও কাস্টমার নাই সারাদিনে বেচছি ৩০০ টাকার মতো একদিনের বাজার ও হইবো না। আমাগো কষ্ট কে বুঝবো? রিকশাচালক জাহাঙ্গীর বলেন , লকডাউনে খুব কষ্টে থাকতে হয়। এর আগের লকডাউনেও অনেক কষ্টে কেটেছে আমার ও পরিবারের সবার ।
যদিও ঘর থেকে বের হতে মানা করা হচ্ছে; কিন্তু বের হতে না-পারলে খাব কী? ঘরে বাচ্চা পোলাপান খাবার চায় অন্তত একটা চকলেট ওতো দিতে অইব। কামাই না করলে কেমনে দিমু আর সহ্য হয় না। তিনি বলেন আমনে একটু আমাগো চেয়ারম্যান রে বইলেন সাহায্যের জন্য আমার বাড়ি মানিকা ইউনিয়নে ২ নং ওয়ার্ডে।
বোরহানউদ্দিন বাজারের সজিব (১৬) নুরুল আমিন (৫০), ফারুক (৬৫) ফল ব্যবসায়ী বলেন, এমনিতেই ব্যবসায়ের অবস্থা তেমন ভালো না। এরপর সামনে আসছে ঈদুল আযহা। এখনও যদি ব্যবসা না-করতে পারি, তাহলে পরিবার নিয়ে যাব কোথায়? খাব কী? হাওলাদার মার্কেটের চায়ে

Leave a comment