ভোলায় ‘কঠোর লকডাউনে’র তৃতীয় দিনেও মাঠে রয়েছে পুলিশ প্রশাসন সাথে অব্যাহত রয়েছে নৌবাহিনীর তৎপরতা। বিধিনিষেধ অমান্য করে অযথা ঘোরাঘুরি করায় এবং স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করায় গত দুই দিনে ৩৬৫ জনকে অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বিভিন্ন স্থানে (বাজার, বাসস্ট্যান্ড, রেস্টুরেন্ট, মোড়/পয়েন্টে) সকলকে মাস্ক পরতে উদ্বুদ্ধ করা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে আহ্বান জানানো এবং অপ্রয়োজনে ঘর থেকে বের হওয়া রোধকল্পে পুলিশের চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনাও অব্যাহত রয়েছে। আজ শনিবার (০৩ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রায়হানুল ইসলামের নেতৃত্বে নৌবাহিনীর সদস্যরা জেলা শহরে টহল শুরু করেন। এ সময় তারা শহরের বাংলা স্কুল মোড়ে অবস্থান নিয়ে পথচারীদের কাছে রাস্তায় বের হওয়ার কারণ জানতে চান। এ সময় মাইক ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন থামিয়ে ঘরের বাইরে বের হওয়ার কারণ জানতে চান। কেউ যথাযথ কারণ বলতে না পারলে তাদের জরিমানা করা হয়। শহরতলী ও কাঁচাবাজারগুলোতে গেলে স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রবণতা দেখা যায়নি। এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে নৌবাহিনীর ভোলা ইউনিটের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার তানজিম বলেন, দুই পাশ থেকে সহযোগিতা এলে আমরা সফল হব। আমরা যেভাবে কষ্ট করে মাঠে নেমেছি, আমাদের কথাগুলো যদি জনগণ সুন্দরভাবে শুনে তা হলেই আমরা সফল হব। অপরদিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রায়হানুল ইসলাম বলেন, আমাদের ২০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মাঠে কাজ করছে বিভিন্ন বাহিনী। গত দুই দিনে ৩৬৫ জনকে জেল-জরিমানা করা হয়েছে। আদায় করা হয়েছে প্রায় তিন লাখ টাকা। এর পরেও কঠোরতা দরকার হলে সরকার হবে।

Leave a comment