ছোটন সাহা,

দৈনিক ভোলা টাইমস:: ভোলায় চাহিদার বিপরীতে কোরবানির জন্য পর্যাপ্ত পশু মজুদ রয়েছে। এ বছর জেলায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৯৫৪টি গরু।

এদিকে জেলায় ৯৩টি স্পটে পশুরহাট বসানোর প্রস্তুতি নেওয়া হলেও করোনা সংক্রমণের ওপর নির্ভর করছে এ বছর ঠিক কতটি পশুরহাট বসবে। তবে বিকল্প ব্যবস্থায় অনলাইন পশুরহাট চালু করেছে জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।

জেলা সদরে দুটিসহ সাত উপজেলায় আটটি অনলাইন পশুরহাট খোলা  হয়েছে। এসব হাটে গরুর ছবি, ওজন, দাম এবং বিক্রেতার নাম মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও পশুরহাটে ২২টি ভেটরিনারি টিম প্রস্তুত রয়েছে।

এদিকে ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারি ও পারিবারিক পশুর মালিকরা। ইতোমধ্যে তারা প্রাকৃতিক উপায়ে গরু মোটাতাজাকরণ করেছেন। হাট বসার ঘোষণা এলেই তারা গরু নিয়ে হাটে হাজির হবেন। তবে করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে হাটে ক্রেতা কম থাকলে গরুর দাম উঠবে না বলেও চিন্তিত তারা।

সদরের ভেদুরিয়া, ভেলুমিয়া ও চর এলাকার খামারি আবুল কালাম, মোসলে উদ্দিন ও মতিনসহ কয়েকজন খামারি বলেন, আমরা দেশীয় পদ্ধতিতে প্রাকৃতিক উপায়ে খৈল, ভুষি, ঘাস খাইয়ে মোটাতাজাকরণ করে গরু হাটে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করেছি। আশাকরি লাভবান হবো। কিন্তু ক্রেতা কম হলে পশুর দাম কমে যেতে পারে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ কুমার মণ্ডল জানান, এখন পর্যন্ত ৯৩টি স্পটে পশুরহাট বসানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তবে সবকিছু নির্ভর করছে লকডাউন এবং করোনা সংক্রমণের ওপর। হাটের সংখ্যা কমে যেতে পারে। তবে আমরা বিকল্প ব্যবস্থা চালু করেছি। জেলায় ৮টি অনলাইন পশুরহাট খুলেছি, সেখানে পশু কেনা-বেচা যাবে। ফেসবুক পেজে গিয়ে ‘অনলাইন পশুরহাট ভোলা’  নামে সার্চ করলে অনলাইন পশুরহাটে প্রবেশ করে গরু-কেনা বেচা করা যাবে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, এবার প্রাকৃতিক উপায়ে খামারিরা গরু মোটাতাজাকরণ করেছে। আমরা ১৭৫ জন খামারিকে প্রশিক্ষণ দিয়েছি। তবে কেউ যদি অবৈধভাবে গরু মোজাতাজাকরণ করে হাটে আনে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a comment