দৈনিক ভোলা টাইমসঃঃ ভোলা সদর উপজেলার ভেদুরিয়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের চর ভেদুরিয়া এলাকায় বাসিন্দা কাঞ্চন আলী শিকদারের বিরুদ্ধে ৫ লক্ষ টাকার গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ করেছে তারই ভাতিজা মোঃ শফিউল সিকদার। মোহাম্মদ শফিউল শিকদার অভিযোগ করে বলেন আমি বিগত ২০ বছর আগে আমার বাবাকে হারিয়েছি। বাবাকে হারিয়ে এখনো আমরা জীবন সংগ্রামের যুদ্ধ করে যাচ্ছি । ভেদুরিয়া ইউনিয়নের চর ভেদুরিয়া মৌজার ৩২ শতাংশ জমি আমার বাবা ক্রয় করে রেখে গিয়েছিল ।আমরা পৈতৃকসূত্রে সে জমির মালিক হয়েছি । আরো ২৫ বছর আগে আমার বাবা নিজ হাতে সেই জমিতে অনেক গাছ রোপন করেছিল । আমার বাবার অবর্তমানে আমার চাচা কাঞ্চন শিকদারের বহুদিন ধরেই লোভ আমাদের জমির দখল করার। পহেলা জুলাই থেকে লকডাউন এর কারণে আমি নিয়মিত আমার জমি কাছে যেতে পারিনি। এ সুযোগে আমার চাচা কাঞ্চন সিকদার আমার জমির ২৯-২৫টি রেইনট্রী ও মেহগনি গাছে কাটে বিক্রির উদ্দেশ্যে। ওই গাছের বাজার মূল্য আনুমানিক ৫ লক্ষ টাকা হবে ।

জোর করে গাছ কাটার বিষয়ে আমি ভোলা সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করলে এসআই জসীমউদ্দীন ৫ জুলাই সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গাছ কাটার সত্যতা পায়। এ বিষয়ে আমি এখন মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি । ভোলা সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ এনায়েত হোসেন বলেন আমি একটি অভিযোগ পেয়েছি । অভিযোগের আলোকে একজন এসআইকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি । তার তদন্তের উপর ভিত্তি করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব । ভোলা সদর মডেল থানার এসআই মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন শফিউল শিকদারের অভিযোগ পেয়ে আমি ভেদুরিয়া ইউনিয়নের চর ভেদুরিয়া এলাকায় গাছ কাটার ঘটনাস্থলে গিয়েছি । গিয়ে আমি বেশ কিছু গাছ কাটা অবস্থায় দেখেছি । আমি তদন্ত করে যা পেয়েছি ঠিক সেভাবেই উপস্থাপন করবো। ভেদুরিয়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বার ফরিদ হাওলাদার বলেন গাছ কাটার বিষয়ে আমার কাছে ভূট্টু শিকদার ও তার ভাই শফিউল শিকদার এসেছিল । আমি এ ঘটনা শুনে সাথে সাথে গাছ ক্রেতাকে ফোন করে বলেছি এ ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আপনি কারো সাথে কোন অর্থনৈতিক লেনদেন করবেন না । কাগজ দেখে জমির মালিক কারা এ বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নেব। গাছ কাটায় অভিযুক্ত কাঞ্চন আলী শিকদার বর্তমানে তাবলীগ জামাতে অবস্থান করায় তার মোবাইল ফোনে কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে সম্ভব হয়নি ।

Leave a comment