দৈনিক ভোলা টাইমসঃঃ ভোলায় আলাউদ্দিন (৪৫) নামের এক স্পিডবোট ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপ-প্রচার করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে ভোলার বাংলাস্কুল মোড় সংলগ্ন স্থানীয় একটি পত্রিকা অফিসে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়। আলাউদ্দিন ভোলা সদর উপজেলার চরসমাইয়া ১ নং ওয়ার্ডের সিদ্দিকের ছেলে। অভিযুক্তর নাম মাইনউদ্দিন। তিনি সদর উপজেলা ভেদুরিয়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের সুলতানের ছেলে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য আলাউদ্দিন বলেন, জীবিকার তাগিদে ১৯৯৮ সাল থেকে স্পিডবোট চালানোর মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে ভেদুরিয়া ঘাট চলে যায় তখন আমি ওইখানে স্পিডবোট নিয়ে চলে যাই । যাহা তিন চার দিনেও কোন ট্রিপ রিজার্ব হতো না ।

তখন আমি বরিশালের যাত্রীদের কম খরছে অতি দ্রুত সময় পৌছে দিতে লোকাল সার্ভিস চালু করতে গিয়ে এই ঘাটে ও ঘাটে তিন চারদিন ধরে বসে থাকতে হতো খেয়ে না খেয়ে। পর্যায়ক্রমে আস্তে আস্তে লাইনটি চালু হয়। পরে যাত্রী বৃদ্দি পাওয়ায় বিভিন্ন এনজিও সংস্থা থেকে লোন নিয়ে চারটি স্পিডবোট কিনে নিজে ব্যবসা শুরু করি। তখন স্থানীও লোক আমাদের সাথে যুক্ত হয়। তখন যাত্রী চাহিদা বাড়ায় স্পিডবোট বাড়তে থাকে মালিকও বাড়তে থাকে এভাবেই চলতে থাকে । ইউনিয়ন ও বিভিন্ন লোকজন আমাদের সাথে সিরিয়াল নিয়ে জামেলা শুরু করে তখন আমাদের জেলা আওয়ামীলীগের নেতারা বিপ্লব ভাইসহ জেলা পরিষদ কক্ষে বসে একটি সিদ্ধান্ত হয়। তখন বিপ্লব ভাই জহরুল ইসলাম নকিব ভাই কে ইজারাদারের দায়িত্ব দেয়। তার নির্দেশে আমি তখন পরিচালনা করি ।

৫ই মে লকডাউন শুরু হলে কিছু কুচুক্রি মহল ঘাট ইজারাদারকে অনেক টাকার লোভ দেখিয়ে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয় । তখন ওই ষড়যন্ত্রকারীদের প্রস্তাবটি গ্রহন করেন ঘাট ইজারাদার । তখন তারা করোনা কালীন সময়ে ভোলার সাধারন যাত্রীদেরকে ৫০০ টাকা ভাড়া দিতে বাধ্য করে । তখন ওই বোট থেকে ঘাট ইজারাদার মাইনুদ্দিনএর মাধ্যমে বরিশালের বোট ২০০০ টাকা ও লাহার হাটের বোট ১৫০০ টাকা করে রাখে। ১ম দিনে অনেক টাকা কলেকশন হওয়ায় দিশেহাড়া হয়ে যায় ঘাট ইজারাদার । এই বিষয়ে আমি কোন কিছুই জানি না। তখন অনেক যাত্রীর চাপ থাকে, বিষয়টি মিডিয়া ও প্রশাসনের নলেজে আসে তখন এই চাঁদাবাজির দায়ভার আমার ঘারে চাপিয়ে দেয়। তখন প্রশাসন আমাকে চাঁদা বাজির অভিযোগে গ্রেফতার করার চেস্টা করেন, তখন আমি ঘাট ইজারাদারের সাথে কথা বলতে চেস্টা করলে আমি ব্যর্থ হই। তখন কয়েকদিন পালিয়ে থেকে গ্রেফতার হবো নিশ্চিত হলে আমি বিষয়টি আলহাজ্ব তোফায়েল আহমেদ এমপি জানাই । তাকে জানানোর অপরাধে ঘমাতার ধাপটে আমার জন্মদেয়া স্পিডবোটের ব্যবসা বন্ধ করে দেয়। প্রায় ১ মাস ৬ দিন বন্ধ থাকার পর আমি ৩০ ই জুন বেরা ১ টা ৩০ মিনিটে ঘাটে যাই । তখন আমার ড্রাইবার খালেক কে ঘাট ইজারাদার এর কাছে জানতে পাঠাই যে ১ মাস ৬ দিন বন্ধ থাকা স্পিডবোট চলবে কিনা । তখন সে আমার ২টি বোট বরিশাল পাঠানোর ব্যবস্থা করে দেয়। আমি ঘাট থেকে চলে আসলে জানতে পারি ভোলা থেকে ইজারাদারের কিছু লোক ঘিয়ে মোসলেউদ্দিন পাটোয়ারী সহ আমার বিরুদ্ধে ভাংচুর ও খাতা ছিরার অভিযোগ তুলে । যাহা পর্বতিতে সংবাদ মাধ্যেমে উটে এমন কোন ঘটনা ঘটেনি এবং আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে ভিত্তিহীন অপপ্রচার যাহার কোন সত্যতা মিলে নি।

আমাকে ঘাট থেকে সরিয়ে দিয়ে ঘাটে আপনি কাকে সুবিদা দিচ্ছন এরা কারা? বিষয়টি আমি (আলাউদ্দিন) ঘাট ইজারাদার নকিব চেয়ারম্যানকে জানালে সে কৌশলে এড়িয়ে যায়। মাইনুউদিন সহ মহলটি চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আপ-প্রচার চালিয়ে আমাকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। এছাড়াও আমার ঘাটের ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ করে দেন মাইনুদ্দিন। এ ধরণের মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপ-প্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আলাউদ্দিন ভোলা-১ আসনের সাংসদ তোফায়েল আহাম্মেদ,জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সুপারের সু-দৃষ্টি কামনা করেন।

Leave a comment