নিজস্ব প্রতিবেদক,

দৈনিক ভোলা টাইমস:: মাদক সম্রাট মাকসুদ জেল থেকে বেরিয়েই অভিনব কায়দায় শুরু করে মাদকের ব্যবসা,আলীনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা  সাবেক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেন্টু মিলিটারির ছেলে মাকসুদ বাবার ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে বাবা বিক্রেতাদের বাবা হয়ে গেছে ।

বর্তমানে সে ভেদুরিয়া স্পিড বোর্ড ড্রাইভার বিল্লালের বাড়িতে অবস্থান করতে দেখা যায় বেশ কিছুদিন ধরে,ধারণা করা হচ্ছে বিল্লাল ও হেলালের সহযোগিতায় মাদক ব্যবসা বেশ জমজমাট ভাবেই চলছে নিজেকে রাখছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে ।

মাদকের এই সিন্ডিকেট সুপরিকল্পিত ভাবে বরিশাল থেকে ভেদুরিয়া স্পিডবোট ঘাট পর্যন্ত পৌঁছে দেয় নির্দিষ্ট স্ত্রীর বোর্ড ড্রাইভার,স্পিডবোট ঘাট থেকে আলীনগর ইউনিয়নের নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছে দেয় সেই নির্দিষ্ট হোন্ডা ড্রাইভার, আলীনগর ইউনিয়ন টিকে  মাদকের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছেন এই মাদক সম্রাট মাকসুদ ।পুরো আলীনগর ইউনিয়ন জুড়ে রয়েছে খুচরা ও পাইকারি মাদক বিক্রি সাব এজেন্ট,সুতরাং প্রশাসনের মাদকবিরোধী সব ধরনের অভিযান থেকে নিজেকে সুকৌশলে সরিয়ে রাখতে সক্ষম হচ্ছে মাকসুদ।

অপরদিকে প্রশাসনের নজরকে এড়িয়ে প্রায়ই দেখা যায় স্পিডবোট নিয়ে কথিত স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতার সাথে বরিশালে যাতায়াত করতে ।বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়,আলীনগর ইউনিয়ন থেকে ফেনসিডিল, ইয়াবা, মদ, বিয়ার কালিনাথ রায় বাজার সংলগ্ন মোল্লা ব্রিজের সন্নিকটে মাকসুদের গডফাদারের আস্থাভাজন ছোট ভাইয়ের আস্তানায় পৌঁছে দেয়া হয় ।মাদক সম্রাজ্য ইউনিয়ন থেকে পৌরসভার  ভিতর বিস্তারের জন্য  প্রশাসনের নাকের ডগায় বসে মাদকের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে কথিত এক ইউপি চেয়ারম্যানের ক্ষমতার দাপটে,প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা যদি কোন ধরনের অভিযান পরিচালনা করে, দেখা যায় যে ওই অফিসারের বিরুদ্ধে মাদক কারবারী উপর মহলে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হতে হয় ।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর আমাদের বলেন যে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী সম্রাটকে গ্রেপ্তার করার অপরাধে আমাকে বিভিন্ন ধরনের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে,এখন পর্যন্ত আমার এক লক্ষ টাকার উপরে খরচ হয়ে গিয়েছে যার ফলে পুলিশের কেউই অহেতুক হয়রানির ভয়ে সব ধরনের অভিযান থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখেন ।

চলমান……………

 

Leave a comment