নিজেস্ব প্রতিবেদক ॥  মুজিব শতবর্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার, ভূমি ও গৃহহীনদের বসত ঘর বরাদ্দে ভোলা দৌলতখান উপজেলায় অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছেছে। স্থানীয়রা জানান, প্রধানমন্ত্রীর মুজিব শতবর্ষের উপহার দৌলতখান উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নে ৪০টি উত্তর জয়নগর ১টি ও দৌলতখান পৌরসভায় ১টি সহ প্রথম ধাপে ৪২টি বসতঘর দরিদ্র ভূমি ও গৃহহীনদের মাঝে বিতরণ করার কথা থাকলেও অধিকাংশ ঘর পেয়েছে নিজস্ব জমির মালিকানাধীন ব্যক্তিগন।

সরকারী খাস জমিতে এসকল ঘর উত্তোলনের নিয়ম থাকলেও অধিকাংশ ঘর উত্তোলন করা হয়েছে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে। এসকল ঘর উত্তোলন সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন রাজ মিস্ত্রিদের খাবার খাওয়াতে বাধ্য করা হয় বরাদ্দকৃত উপকারভোগীদের। অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে একই পরিবার দুইটি করে ঘর বরাদ্দ দেওয়ার একাধিক অভিযোগ রয়েছে কাওসার হোসেনের বিরুদ্ধে। তার এসকল অনিয়মের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন প্রকল্প বাস্তবায়ন ইন্জিনিয়ার জসিম ও ইলেক্ট্রিশিয়ান আকতার।

চরপাতা ৮ নং ওয়ার্ডের সেলিম ও তার পুত্র সোহাগ দুইটি ঘর, মগবুল আহমেদের পুত্র জাহাঙ্গীর ও আজিজলের নামে দুইটি ঘর, রুহুল আমিনের স্ত্রী মাহমুদার নিজ নামে একটি ও তার জামাতা মাকসুদের নামে আরো একটি ঘর বরাদ্দ দেয়ওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের উপহার গুলো হরিলুটের কারখানা পরিনত করেন এই গুনধর কাওছার হোসেন। ঘর বরাদ্দ দেওয়া হলেও নেই কোনো বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা।

নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ঘর নির্মান ও কয়েকটি ঘরের কাজ অসম্পূর্ণ রেখে বিল উত্তোলন করে নিয়ে যায় সাবেক দৌলতখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাওসার হোসেন। এমনটাই অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। কাওসার হোসেন বর্তমানে বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন।

এবিষয়ে দৌলতখান উপজেলার সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা কাওছার হোসেন জানান, মুজিববর্ষে গৃহহীনদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর তৈরি ও বিতরণে তিনি কোন অনিম করেননি বরং ৪২টি ঘর তৈরিতে তার ব্যক্তিগত ভাবে ৬ লাখ টাকা খরচ করতে হয়েছে।

Leave a comment