স্টাফ রিপোর্টার ॥
ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডে ৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ ও তার ভাসুর কে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে ।

১২ জুলাই সকাল আটটায় ধনিয়া ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের নবীপুর গ্রামের বেপারী বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে । হামলায় আহত তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ শারমিন বলেন ১২ জুলাই সকালে আমি আমার শশুর বাড়ির বাসা সংলগ্ন গোসলখানায় গোসল করতে যাই।সেসময় আমার ফুফা শ্বশুর বাবুল আমার বাড়ির গোসলখানায় পাশ দিয়ে হেটে যায়। তখন আমি তাকে বললাম আপনি এ রাস্তা দিয়ে না এসে আপনি অন্য রাস্তা দিয়ে আসতে পারতেন। তখন সে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে । আমি তাকে গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে সে আমাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মেরে মাটিতে ফেলে দেয় ।

তখন বাবুলের মেয়ে নাজমা , তানিয়া ,মারজান ,রেনু এসে আমাকে ও মারধর শুরু করে। হামলার সময় বাবুল আমার গলায় থাকা ৭ আনা স্বর্ণের চেইন নিয়ে যায় । তখন আমার আত্মচিৎকারে বাড়ির লোকজন এসে গেলে বাবুল ও তার মেয়েরা সটকে পরে। তখন বাড়ির লোকজন আমাকে ভোলা সদর হাসপাতালে এনে ভর্তি করে। এই ঘটনার রেশ ধরে ওই দিন রাতে আমার ফুফা শ্বশুর বাবুল আমার ভাসুর গিয়াসউদ্দিনকে ও মেরে আহত করে । হামলায় আহত শারমিনের ভাসুর গিয়াস উদ্দিন বলেন আমার ছোট ভাই এর স্ত্রী কে বাবুল ও তার মেয়েরা মারধর করেছে শুনে আমি বাবুলকে তা জিজ্ঞেস করি । এতে বাবুল আমার প্রতি ক্ষিপ্ত হয় । ১২ জুলাই রাতে আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে হাসপাতালে দেখে ফেরার পথে রাত বারোটার দিকে আমাদের বাড়ির দরজায় এসে পৌঁছালে বাবুলের নেতৃত্বে আরো ৪-৫ জন আমার উপর হামলা চালিয়ে আমাকে আহত করে।

ভোলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এনায়েত হোসেন বলেন আমার কাছে কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি । অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত বাবুলের সাথে কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি ।

Leave a comment