ইউসুফ হোসেন নিরব ।।

ভোলা সদর উপজেলাধীন দৌলতখান থানা, চরপাতা ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডের মৃত আবদুল আউয়াল এর ছেলে আলী আজগর (৪৩) এর বিরুদ্ধে মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

একাধিক স্থানীয়রা জানান পুলিশ সুপারের বরাবর ভুয়া অভিযোগ দেখিয়ে চরপাতা ইউনিয়ন হাজির হাট নামক বাজারের, দিনমজুর খেটে খাওয়া অটো ড্রাইভার, নাপিত, মাছ বিক্রেতা, সহ প্রায় অর্ধ শত লোকের কাছে চাঁদা দাবি করেন। মূলত সে কোন কাজকর্ম না করে কৃষি ব্যাংকের দালালি করে, ভুক্তভোগীরা বলেন, আলী আজগর এলাকায় আমাদের কাছে বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখিয়ে চাঁদা দাবি করে আসছে, আমরা চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে ভুয়া মামলার কথা বলে আমাদেরকে আরো ভয়-ভীতি দেখিয়ে টাকা আদায় করার চেষ্টা করে গত ০৪/০৭/২০২১ইং রোজ রবিবার বিকাল আনুমানিক ৫ টার দিকে আলি আজগার দা (ছেনি) লইয়া আমাদের বাড়ির সংলগ্ন রাস্তার উপরে দাঁড়াইয়া, বলে ১লক্ষ টাকা চাঁদা না দিলে এলাকায় থাকতে পারবি না,যেখানে পাব সেখানে তোদেরকে মেরে ফেলবো এই বলিয়া হুমকি দিতে থাকে।

ভুক্তভোগীরা আরো বলেন, আলী আজগর সেলুনে চুল কাটলে টাকা দেয় না, মাছ ব্যবসায়ী থেকে মাছ কিনেও টাকা দেয় না, কেউ যদি প্রতিবাদ করে তার নামে উল্টো মামলা দেবে বলে হুমকি দিকে থাকে, এভাবেই আলী আজগর আমাদের ১৪ জনকে আসামি করিয়া ভোলায় পুলিশ সুপার মহোদয়ের বরাবর ভুয়া দরখাস্ত করে ওই দরখাস্ত ফটোকপি করে এলাকার লোকজনের কাছে দেয় এবং বলে আমাকে টাকা না দিলে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দেবো।

এই কথা বলে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্নভাবে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে আমাদেরকে ভুয়া মামলার আসামি বানিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা আত্মসাৎ করেছে, এবং এখনো বলে, তোদের নামে এসপি অফিসে মামলা দিয়েছি ১লক্ষ টাকা চাঁদা না দিলে, তোদের সবাইকে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দিবো এ বিষয়ে চরপাতা ইউনিয়ন পরিষদের এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, হেলাল উদ্দিন বলেন, আলী আজগর দুষ্টু প্রকৃতির লোক এভাবেই মানুষকে জিম্মি করে টাকা আদায় করে এবং এলাকার কোন ব্যক্তি কে সম্মান দিয়ে কথা বলে না এ পর্যন্ত কয়েকবার আলী আজগরের বিভিন্ন অপকর্মের সালিশ করেছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আলিআজগরের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। সঙ্গে এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ১৩ জন আসামির পক্ষে শাহেআলম দৌলতখান থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। ভোলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার, সরকার মোহাম্মদ কায়সার, স্যার ভোলা টাইমস প্রতিবেদক কে জানান, পুলিশ সুপার বরাবর এমন কোন লিখিত অভিযোগ আসেনি।

Leave a comment