ইউসুফ হোসেন নিরব।

দৈনিক ভোলা টাইমস্ঃঃ গাঙ্গে মাছ নাই, পেডে ভাত নাই, বাইদ্দাগো আবার কিয়ের ঈদ। এমনটা বলেই কেঁদে ফেললেন বেঁদে পরিবার গুলো।

একদিকে মহামারী করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক, অন্যদিকে নদীতে পর্যাপ্ত পরিমাণে মাছ না থাকায়, খেয়ে না খেয়ে, দিন যাপন করছেন বেদে পরিবাররা। নদীতে পর্যাপ্ত পরিমাণে মাছ না থাকায়, নদীতে ভাসমান বেদে পরিবারের, বেঁচে থাকার স্বপ্ন গুলো অভাবের চাদরে ঢাকা পড়ে গেছে। দুমড়ে-মুচড়ে পড়ছে ওদের বেঁচে থাকার স্বপ্ন গুলো, অভাবের হিংস্র থাবায় থমকে গেছে ওদের জীবন যাত্রা এ যেন হাসি বিহীন এক কাঠের মূর্তি।

অভাব-অনটনের জ্বালায় ভুলে গেছে মহামারী করোনা নামক শব্দটাও। ভুলে গেছে শারীরিক দূরত্বটাও। মাক্স এর সঙ্গে এখনও তাদের পরিচয় হয়নি। করোনার ভয় কে যেন জয় করে নিয়েছে বেঁদে পরিবারা। নদীতে পর্যাপ্ত পরিমাণে মাছ না থাকায় ও সরকার ঘোষিত লকডাউন এর কারণে, কাচের চুড়ি ও লেইস ফিতাও কিনছেনা কেউ।

সারাদিন ঘাটে নৌকা রেখে, মাজায় কাপড় বেঁধে শিশু সন্তানকে নিয়ে গ্রামেগঞ্জে ছুটোছুটির পরেও মিলছে না দুবেলা দুমুঠো ভাত। সরকারি কোনো সাহায্যের সঙ্গে এখনো পরিচয় হয়নি বেঁদে পরিবার গুলোর, তাই চরম দুর্দিনে ও মহা দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে বেঁদে পরিবারা। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় অধিকাংশ বেদে পরিবার জীবন-জীবিকার তাগিদে বাপ-দাদার পেশা পরিবর্তন করে অন্য পেশায় ঝুঁকছেন।

তাতেও দুবেলা দু’মুঠো ভাত জুটাতে পারছেন না, অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে এইসব বেদে পরিবারগুলো। তাই সরকারের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে বেঁদে পরিবাররা।

Leave a comment