1. mdmf@gmil.com : আশিষ আচার্য্য : আশিষ আচার্য্য
  2. asrapur121@gmail.com : আশরাফুর রহমান ইমন : আশরাফুর রহমান ইমন
  3. borhanuddin121@gmail.com : বোরহানউদ্দিন প্রতিনিধি : বোরহানউদ্দিন প্রতিনিধি
  4. admin@bholatimes24.com : Bhola Times | Online Edition : Bhola times Online Edition
  5. ssikderreport@gmail.com : চরফ্যাশন প্রতিনিধি : চরফ্যাশন প্রতিনিধি
  6. dowlatkhan@gmail.com : দৌলতখান প্রতিনিধি : দৌলতখান প্রতিনিধি
  7. easin21@gmail.com : ইয়াছিনুল ঈমন : ইয়াছিনুল ঈমন
  8. gourabdas121@gmail.com : গৌরব দাস : গৌরব দাস
  9. hasanpintu2010@gmail.com : লালমোহন প্রতিনিধি : লালমোহন প্রতিনিধি
  10. hasnain50579@gmail.com : HASNAIN AHMED : MD HASNAIN AHMED
  11. iqbalhossainrazu87@gmail.com : ইকবাল হোসেন রাজু : ইকবাল হোসেন রাজু
  12. iftiazhossen5@gmail.com : ইসমাইল হোসেন ইফতিয়াজ : ইসমাইল হোসেন ইফতিয়াজ
  13. mdmasudalom488@gmail.com : Afnan masud : Afnan masud
  14. mnoman@gmail.com : এম,নোমান চৌধুরী : এম,নোমান চৌধুরী
  15. monpura@gmail.com : মনপুরা প্রতিনিধি : মনপুরা প্রতিনিধি
  16. najmu563@gmail.com : নাজমুল মিঠু : নাজমুল মিঠু
  17. najrul125@gmail.com : নাজরুল ইসলাম সৈারভ : নাজরুল ইসলাম সৈারভ
  18. news.bholatimes1@gmail.com : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
  19. news.bholatimes@gmail.com : News Room : News Room
  20. nirob121@gmil.com : ইউসুফ হোসেন নিরব : ইউসুফ হোসেন নিরব
  21. abnoman293@gmail.com : এম নোমান চৌধুরী চরফ্যশন প্রতিনিধি : এম নোমান চৌধুরী চরফ্যশন প্রতিনিধি
  22. nhohechowdhury@gmail.com : OHE CHOWDHURY NAHID : OHE CHOWDHURY NAHID
  23. mdmasudaom488@gmil.com : তজুমদ্দিন প্রতিনিধি : তজুমদ্দিন প্রতিনিধি
  24. sanjoypaulrahul11@gmail.com : sanjoy pal : sanjoy pal
  25. sohel123@gmail.com : সোহেল তাজ : সোহেল তাজ
  26. btimes536@gmail.com : সৌরভ পাল : সৌরভ পাল
  27. bholatimes2010@gmail.com : স্টাফ রিপোর্টার : স্টাফ রিপোর্টার
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২, ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন

ভোলা কে নিশ্চিহ্ন করার মিশনে বালুদস্যু চক্র ! হুমকির মুখে দ্বীপজেলা ভোলা ।

রির্পোটার
  • সময়: শনিবার, ২১ আগস্ট, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
ভোলার তেতুলিয়া নদীতে বালু উত্তোলনের মহোৎসব চলছে। অব্যাহত বালু উত্তোলনে দিনে দিনে শান্ত তেতুলিয়া নদী ভেঙ্গেই চলছে। নিঃশ্ব হচ্ছে শত শত অসহায় পরিবার । নির্বাক অসহায়ের মতে মুখ বুজে আছে সাধারন মানুষ গুলো। বিধাতার কাছে দু হাত তুলে নালিশ দেয়া ছাড়া তাদের কোন গতি নেই। এমনই অবস্থা বাঘমারা ব্রীজ থেকে ভোলার সাবেক বানিজ্যমন্ত্রী ভোলা ১ আসনের এমপি তোফায়েল আহমেদের বাড়ির পিছনের নদী পর্যন্ত। এ অপ্রতিরোধ্য বালু দস্যুরা সরকারে দলীয় বলে দমন হচ্ছেনা এমনটা প্রশ্ন ভুক্তভোগিদের। বিভিন্ন সুত্রে জানাযায়, তেতুলিয়া নদীর বালুর উপর ভিত্তি করে দক্ষিণ দিঘলদি ইউনিয়ন সহ বেশ কয়েকটি এলাকায় গড়ে উঠেছে নতুন নতুন একাধিক বালু মহাল। এখানে সব লোকাল বালুই আসে তেতুলিয়া নদী থেকে। একটি সিন্ডিগেট এ ব্যবসা অব্যাহত রেখেছে ক্ষমতার দাপটে। ঔই সিন্ডিগেটের হোতা রাস্তার বালু প্রতি প্রতি ফুটে নিচ্ছে ত্রিশ পয়শা ও বালু মহালের বালুর প্রতি ফুটে নিচ্ছে পঞ্চাশ পয়শা। এমন অভিযোগে পাওয়া গেছে স্থানীয়দের কাছ থেকে।

কোনভাবেই থামছেনা এ বালু উত্তোলনের মহোৎসব। সুত্রে জানা যায়, ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করে আসছে আলমগীর লিডার এর ছেলে জামাল । বাবার নামের খ্যতিতে ছেলে জামাল ভেদুরিয়া ঘাটের ছোট একটি ভাতের হোটেল মালিক থেকে রাতারাতি বনে যান বালু দস্যু চক্রের একাংশের কর্নধার । এ যেন আলাদিন এর চেরাগের মতো ! কে এই বালুদস্যু জামাল ?

২০০০ সালে ভোলা খেয়াঘাটে একটি ছোট ভাতের হোটেল থেকে শুরু তার কিছুদিন পর পৌর ২নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর পলাশের একটি ছোট ড্রেজারে চাকরির সুবাধে সে সময় চটকিমারা চরের যে বালু কাটা হতো তা ছিল আলমগীর লিডারের দখলে বাবার ক্ষমতা বলে বিভিন্ন কৌশলে পলাশ কমিশনার কে হটিয়ে নিজেই বনে যান ড্রেজার এর মালিক। ২০১২ সাল থেকে শুরু করে ২০২১ সাল প্রর্যন্ত জামাল যে পরিমান সম্পদের মালিক বনে যান তা হয়তো ক্ষমতাশীন দলের এমপি মন্ত্রীদের কাছে ও নেই।

২০১২-২০২১ সাল পর্যন্ত তার সম্পদের কিছু অংশ তুলে ধরা হলো যার মধ্যে রয়েচে নিজস্ব মালিকানা ৩০টি স্পিডবোট রয়েছে একটি স্পিডবোট তৈরি করার কারখানা ও এছাড়াও রয়েছে ৯টি কার্গো, ৩টি লোড ড্রেজার, ভেদুরিয়া লঞ্চঘাটে রয়েছে একটি তৈলের দোকান যেখানে স্পিডবোট ড্রাইবারদের জিম্মি করে তৈল ক্রয় করতে বাধ্য করে । শুধু তাই নয় তার এছাড়াও রয়েছে একটি সন্ত্রাশী বাহিনী । তাদের দিয়ে দিন রাত ২৪ ঘন্টাই চলে বালু উত্তোলনের কাজ প্রতিদিন বড় বড় জাহাজে করে বালু পাড়ে এনে খালাশ করা হচ্ছে। আর এ বালু চলে যায় বিভিন্ন মহালে ও ভোলার ফোরলেন রাস্তার কাজে। মেঘনা নদীতে বালু উত্তোলন বন্ধ হলেও শান্ত নদী তেতুলিয়ায় বন্ধ হয়নি বালু উত্তোলন। বালু কাটার ফলে শান্ত তেতুলিয়া নদী এখন অশান্ত হয়ে উঠেছে। তেতুলিয়া নদীতে দেখা দিয়েছে ভাঙ্গন আতংক। ইতমধ্যে ৩ কিমি. ফসলি জমি ও বসতভিটা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। প্রতিদিন সর্বহারা হচ্ছে এ জনপদের মানুষগুলো। ভাঙ্গনের তীব্রতা দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। জিও ব্যাগ আর বালি বস্তা দিয়ে শত চেস্টার পরেও ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষা পায়নি এলাকাবাসী । বর্তমানে ভাঙ্গনের তিব্রতা কমতে না কমতেই শুরু হয়েছে ওই অঞ্চলে নদীতে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তলন। এমনকি সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে তাদের কে বিভিন্ন ভয় ভীতি দেখানো হয়। অব্যাহত ভাঙ্গন রোধে সর্বহারা মানুষ গুলো এখন প্রধান মন্ত্রীর সু দৃষ্টি কামনা করছেন। প্রভাবশালী একটি মহল বালূ উত্তলনের কাজে জড়িত থাকায় প্রশাসন তাদের কিছু বলছে না।

শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ:
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৪ - ২০২১ © এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
Developer By Zorex Zira