চরম দুর্ভোগে আছে রামদাসপুরের হাজারও মানুষ

 ইকবাল হোসেন রাজু,

দৈনিক ভোলার টাইমস ::  বর্ষকাল আসলেই চারদিকে পানি থই থই করে,ফসলি জমি,ঘর বাড়ি, বাগান,মেঠোপথ সব কিছুই জোয়ারের পানিতে ডুবে যায়।নেই ভালো শিক্ষা ব্যবস্তা এবং ভালো কোন চিকিৎসা সেবা, এতে চরম দুর্ভোগে পরে আছে ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের রামদাসপুর গ্রামের বাসিন্দারা, সরজমিনে রামদাসপুরে ঘুরে দেখা গেছে,এ গ্রামের মানুষের নানান দুর্ভোগের চিত্র।রাজাপুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড প্রায় ৬ থেকে ৭ হাজার লোকের বসবাস,নেই কোন ভালো শিক্ষা ব্যবস্থা ও চিকিৎসা সেবা, এখানে মাত্র দুইটি প্রাইমারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকলেও নিয়মিত হয় না পাঠদান, শিক্ষকেরা ঠিক মত আসেনা স্কুলে।একটু ঝড় বৃষ্টি হলে অযুহাত দেখিয়ে শিক্ষকেরা যায় না বিদ্যালয়ে।আবার প্রাইমারী শিক্ষা শেষ করে মাধ্যমিকে পড়ালেখা সুযোগ হয় না সব শিক্ষার্থীদের ভাগ্যে। যাতায়াতের সমস্যা অতিরিক্ত খরচ সব মিলিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ই প্রায় শিক্ষার্থীদের শেষ ভড়সা। জানা গেছে.নামে মাত্র একটি কমিউনিটি ক্লিনিক থাকলেও এলাকার মানুষের কোন কাজেই আসে না। অসুস্থ্য হলে রুগীরা ক্লিনিকে আসলেও প্রায় সময় বন্ধই থাকে বলে অভিযোগ করে সেখানকার ভুক্তভোগীসহ ওই এলাকার মানুষ। হাতুড়ে ডাক্তার ও ৩০ থেকে ৪০ মিনিটে নদী পাড় হয়ে আবার ৩০ থেকে ৪০ মিনিট গাড়ি পথে যেতে হয় ভোলা সদর হাসপাতালে,এতক্ষণে রুগী অবস্থা আরও গুরুতর হয় যায় বলে জানান এ এলাকার বাসিন্দারা। আরো জানা যায়,ঝড় বৃষ্টি বা বন্যা হলে নিরাপদে থাকার জন্য ভালো কোন সাইক্লোন সেন্টার না থাকার কারণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছোট বাচ্চাদের কে নিয়ে বসবাস করতে হয় সেখানকার বাসিন্দাদের।তবে গর্ভবতী মেয়েরা সব থেকে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।সরকারের নানা আশ্বাস থাকলে ও সুফল মিলছেনা। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি দুলাল সাজি বলে,আমরা চিকিৎসা, শিক্ষা,যাতায়াত ব্যবস্থা থেকে আমরা পিছিয়ে আছি।তবে এখন আমাদের সব চেয়ে বেশি প্রয়োজন মেহেন্দিগঞ্জ সিমানা থেকে রাজাপুর পর্যন্ত ব্লক দেওয়া।এখন যদি আমাদের রামদাসপুরের ২ কিলোমিটার জিওব্যগ দেওয়া হয় তাহলে স্থায়ীভাবে বসবাস করা যাবে।এ ছাড়া এ এলাকায় একটি মজিব কিল্লা দাবি জানান এই এলাকার জনপ্রতিনিধিসহ একারকার বাসিন্দারা।