তজুমুদ্দিনে ৮৫বছরের বৃদ্ধ ও তার ছেলেকে মিথ্যা অপহরন মামলায় ফাসানোর ষরযন্ত্রের অভিযোগ (ভিডিও সংযুক্ত)।

নিজস্ব প্রতিবেদন,

দৈনিক ভোলাটাইমস::ভোলার তজুমুদ্দিনে চাদপুর ইউনিয়নের আড়ালিয়া গ্রামের স্থায়ি বাসিন্দা মোঃ জাহিদ হাছান (ফখরুল) ও তার বৃদ্ধ বাবা মোঃ হাবিব হাওঃ কে স্থানীয় প্রভাবশালী কুচক্রি মহল ষরযন্ত্রের জাল বুনছে । লোভের বসিরভুত হয়ে মোঃ জাহিদ হাছান ২০১২ সাল থেকে দক্ষিন শম্ভুপুর ইউনিয়নে ব্যক্তি মালিকের কাছ থেকে পুকুর লিছ নিয়ে মাছ চাষের ব্যবসা শুরু করেন । ব্যবসা শুরুর ৪ মাস পর থেকে চাদপুর ইউনিয়নে ষরযন্ত্রকারী রাঘববোয়ালদের দৃষ্টি পরে ফখরুলের মাছের ঘেরের দিকে।ক্ষমতাশীল দলের নাম ভাঙ্গিয়ে নিজেদের সার্থ হাছিলের জন্য দলের ভাবমর্তী নষ্ট করে বিভিন্ন সময় ফখরুলের কাছে চাদা দাবি করে । ফখরুল তাদের ধার্যকৃত চাদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ঐ ইউনিয়নের চিহ্নতি মাদক ব্যবসায়ী ও চাদাবাজ মোঃ আলী,মান্নান,রুবেল ও মতিনদের দিয়ে রাতের আধারে পুকুরে বিষ ঢেলে দিয়ে মাছ ধংশ করতেও তাদের ভয় হয় না । তারা মনে করে “ জোর যার মুল্লুক তার” ভুক্তভোগি ভোলা টাইমসকে বলেন বিগতদিনে আমার ঘেরে রাতের আধারে মাছ চুরি হয়েছে , মাছের ঘেরে বিষ দিয়ে মাছ মারা হয়েছে এমতাবস্থায় কোন উপায়ন্তর না পেয়ে আমি নিজে স্ব-শরিরে শম্ভুপুর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান কে অবহিত করা পর তিনি আমার মাছের ঘেরের সকল দায়িত্ব নিজে বুঝে নেন এবং সান্ত্বনা দিয়ে পাঠিয়ে দেন । দেখা যায় কিছুদিন পরে আবারও সেই একই অবস্থা কোনো না কোনো অজুহাতে আমার ঘাড়ের উপরে হামলা চলে চেয়ারম্যানদের এমন নাটকের শিকার হয়ে আমি আজ সর্বস্বান্ত,চলতি মাসের ১২ তারিখ রাতে আলীরা আবারও আমার মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে সকল মাছ মেরে ফেলে বিষয়টি আমি স্থানীয় সকলকে অবহিত করে এবং বলে আমি থানায় মামলা করব,আলিরা যখন শুনতে পায় আমি থানায় মামলা করব তখন তারা ঐদিন আমার মাছের ঘেরে ঘুরতে আসে একটি মেয়ে নিয়ে,সন্ধ্যায় তারা যখন চলে যায় তার কিছুক্ষণ পরে আমি বাজারে গেলে শুনতে পাই আমি ও আমার  ৮৫বছরের বাবা নাকি আলীকে কিডন্যাপিং করেছি এমন একটি অভিযোগ পত্র তারা থানায় করেছেন এবং আলীর পকেট থেকে তিন লক্ষ আশি হাজার টাকা এবং কিসের স্ট্যাম্পে সই রেখেছি বলে আমাকে অভিহিত করেন তজুমদ্দিন থানার দারোগা খালেক ।

https://web.facebook.com/1475623136071544/videos/2721973701423110/

ভোলা টাইমস রিপোর্টার কিডনাপিং মামলার বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তজুমদ্দিন থানার এসআই খালেক অবহিত করেন যে এমন একটি অভিযোগ পত্র থানায় জমা হয়েছে আমি বিষয়টি তদন্ত করছি, সরোজমিনে গিয়ে  তদন্ত করে বুঝতে পারলাম পুরো বিষয়টি ভিত্তিহীন আলীর মত ছেলের  পক্ষে পকেট তিন লক্ষ আশি হাজার টাকা নিয়ে ঘোরা অসম্ভব,তিনি আরো বলেন  আলীরা তিন চারজন মিলে একটি মেয়ে নিয়ে ঘুরতে যায় ফকরুলের বাগানে এবং সন্ধ্যায় যেখানে এসে তারা নামে ওই স্থানে একজন দোকানদার আমাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।

 

Facebook Comments