ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ব্যবহৃত সরকারী যন্ত্রপাতি দিয়ে অপারেশন করছেন বেসরকারী ব্যক্তি মালিকানাধীন ডায়াগনষ্টিক ও ফার্মিসি চেম্বারে আসা বহিরাগত ডাক্তার এবং তাদের সহযোগীরা। এ নিয়ে সচেতন মহলের নাগরিকদের মাঝে চাঞ্চলের সৃষ্টি হলে উপজেলা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানে না বলে এড়িয়ে যান।

এবিষয়ে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার রাত ৮টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে ষ্ট্রেচারে রেখে এক রোগীকে অপারেশন করতে দেখা যায়। এ সময় প্রত্যক্ষদর্শীরা ঘটনাটির ভিডিও চিত্র ধারণ করে।

ভিডিও চিত্রে দেখা যায়, সজিব (১৮) পিতা হাফেজ নামের রোগীর পায়ে অপারেশন করছেন এ রব ডায়াগনষ্টিকে ঢাকা থেকে আগত মুগদা হাসপাতালে কর্মরত ডা. মুজাহিদুল ইসলাম ও জননী মেডিকেলে পটুয়াখালী থেকে আগত কথিত ডা. সোহাগ মুন্সি। এ সময় এ রব ডায়াগনষ্টিকের শাহাবুদ্দিনকেও সেখানে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন কার্যক্রমে সহযোগীতা করতে দেখা যায়। ডায়াগনষ্টিকে আসা রোগীকে সরকারী হাসপাতালে অভ্যন্তরে খোলা জায়গায় হাসপাতালের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে অপারেশন করায় স্থানীয়দের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ডাক্তার দাবীদার সোহাগ মুন্সি বলেন, আমি অপারেশন করিনি আমি স্যারের সাথে ছিলাম।

এ বিষয়ে এ রব ডায়াগনষ্টিকে আসা ডা. মুজাহিদুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পায়ের ছোটখাটো ইনফেকশন নিয়ে একজন রোগী আসলে হাসপাতালের মধ্যে চিকিৎসা করি। তজুমদ্দিন হাসপাতালের আরএমও ডা. হাসান শরীফ বলেন, ডায়াগনষ্টিকের লোকেরা হাসপাতালের যন্ত্রপাতি ব্যবহারের বিষয়ে আমাদের অনুমতি নেয়নি। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কবির সোহেল বলেন, বিষয়টি আমি অবগত ছিলাম না । জানার পরে সংশ্লিষ্ট যারা ছিলেন তাদের সকলকে ডেকে ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করে দিয়েছি।

Leave a comment