ভোলা টাইমস্ ডেস্ক ॥

ভারতের বিহার রাজ্যে প্রথম দফা বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সেখানে ৭১ আসনে ভোট হয়েছে। নির্বাচনে ৫১ শতাংশেরও বেশি ভোট পড়েছে ।দ্বিতীয় দফা ৩ নভেম্বর এবং তৃতীয় ও শেষ দফার ভোট ৭ নভেম্বর হবে। ফল ঘোষণা করা হবে ১০ নভেম্বর। রাজ্যটিতে জেডিইউ-বিজেপি নেতৃত্বাধীন ‘এনডিএ’ জোট সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। এবারের নির্বাচনে আরজেডি-কংগ্রেস-সিপিএমসহ অন্য দলের সমন্বিত ‘মহাজোট’ সরকার পক্ষকে কার্যত চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধী বুধবার বিহারের পশ্চিম চম্পারনে এক নির্বাচনী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সমালোচনায় সোচ্চার হন। একই সঙ্গে তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও জেডিইউ নেতা নীতিশ কুমারের সমালোচনা করেন।

রাহুল বলেন, এই প্রথম গোটা পাঞ্জাবে দশহরা উৎসবে রাবণের কুশপুতুল পোড়ানো হয়নি। বরং এর পরিবর্তে নরেন্দ্র মোদিজি, আদবানি ও আম্বানির কুশপুত্তলিকা পোড়ানো হচ্ছে। রাহুল গান্ধী বলেন, সাম্প্রতিক কৃষি আইন নিয়ে পাঞ্জাবের কৃষকরা ব্যাপক ক্ষুব্ধ। সেখানকার লোকেরা খুব সাবধানী, একদিকে তারা আদবানি অন্যদিকে আম্বানি ও মাঝখানে নরেন্দ্র মোদির মুখোশ লাগিয়ে কুশপুত্তলিকা পুড়িয়েছে। কৃষকরা নরেন্দ্র মোদি ও মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারের (জেডিইউ প্রধান) ওপর বেজায় ক্ষুব্ধ। এই ক্ষোভ বেড়েই চলেছে। ২০০৬ সালে বিহারে কৃষকদের ওপর আক্রমণ হয়েছিল। রাহুল গান্ধী আরও বলেন, কয়েক বছর আগে প্রধানমন্ত্রী এখানে এসেছিলেন। তার পর বলেছিলেন যে, এটি আখের অঞ্চল, আমি এখানে একটি সুগার মিল করে দেব।

পরের বার আমি এখানে এসে আপনাদের সঙ্গে চায়ে চিনি মিশিয়ে খাব। তার পর কী উনি আপনাদের সঙ্গে চা পান করেছিলেন? আজ কেন ভারতীয় কৃষকরা মোদিজির প্রতিমূর্তি পোড়াচ্ছেন? এটিই বড় প্রশ্ন। নীতিশজি ২০০৬ সালে বিহারের সঙ্গে যা করেছিলেন, আজ মোদিজি ২০২০ সালে গোটা পাঞ্জাব, বিহার ও গোটা ভারতে সেটিই করছেন।রাহুলের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী কর্মসংস্থানের কথা বলেন না। নীতিশ কুমার তেজস্বী যাদবের (আরজেডি নেতা) পরিবারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করছেন। আর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমার পরিবারের বিরুদ্ধে কথা বলছেন।

Leave a comment