ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় দক্ষিণ আইচা থানার ১৫ নং নজরুল নগর ইউনিয়ন আর কলমি গ্রামের আবুতাহের মুন্সির বাগান থেকে সুপারি চুরির অভিযোগে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র মোঃ আল আমিন (১১) উপর নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে চরফ্যাসন উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত ২৫ অক্টোবর নজরুল নগর আর কলমি গ্রাম বজলুবাজারে রাত ১১ টায় এ ঘটনা ঘটে।

আলামিনের পরিবার অভিযোগ করে বলেন, ২৫ অক্টোবর একই গ্রামের আঃহাই’র ছেলে স্থানীয় প্রভাবশালী হারুন বেপরী,আবু তাহের মুন্সি, বাবুল,শাহে আলম,সহ তাদের সহযোগীরা মিলে পূর্বের শত্রুতা জের ধরে পরিকল্পিত ভাবে রাত ১১ টার দিকে আল আমিন ঘরের বাহিরে প্রসাব করতে বের হলে মুখ বেধে নিয়ে দুই হাত বেঁধে কিল-ঘুষি ও লাঠি দিয়ে মারধর করে যাহার আঘাতে আল আমিনের মাথার কিছু অংশ ফুলে গেছে ও শরীরের ভিবিন্ন স্থানে জখম হয়ে যায়। একপর্যায়ে আল আমিনকে মারধর করে রক্তাক্ত অবস্থায় তার ভাই ইমনকে (২২) ফোন কল করে খবর দেয়া হয়। ইমন ঘটনা স্থানে আসলে সুপারি চুরির অপরাধে ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপন দাবি করেন হারুন ও তার সহযোগীরা।

ইমন তখন ৯৯৯ এ কল দিয়ে দক্ষিন আইচা থানা পুলিশের সহযোগিতায় শিশু আলামিনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তি করেন। আলামিনের ভাই ইমন অভিযোগ করে বলেন, ইমন ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাত ৮ টার দিকে তার দোকান থেকে ২৩৪৫০ টাকা নিয়ে বাড়ি যাচ্ছিলেন এ অবস্থায় হারুনের দলবল সহ পথ আটকিয়ে হারুন ব্যাপারি আলামিনের সেই দিনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৯৯৯ এ কেনো কল করেছিলো এবং ৩০ হাজার টাকা দেয়নি কেনো এসব বলে মারধর করে এবং ২৩৪৫০ টাকা সহ একটি স্মার্ট মোবাইল নিয়ে যায়। আলামিনের বাবা অভিযোগ করে বলেন,আমার দুই ছেলেকে হারুন ও তার দলবল সহ একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

আমার ছোট শিশু ছেলেকে এভাবে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন চালিয়েছে এর বিচারের দাবী যানাচ্ছি। পাশাপাশি তিনি, হারুন ব্যাপারি(৩৭)সিরাজ(৪০)আওলাদ (২৫) সহ হামলাকারীদের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আইচা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছে। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত হারুন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার নামে এই অভিযোগটি মিথ্যা। তিনি এই ঘটনার সাথে জরিত না।

Leave a comment